আমাদের গল্প ও পরিচয়
আমরা কারা, কেন তৈরি হয়েছি এবং কীভাবে লক্ষাধিক বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের বিশ্বাসের প্রতিদান দিচ্ছি — সেই গল্পটা এই পেজে।
Betting Jackpot কেন তৈরি হয়েছে এবং আমরা কোথায় যেতে চাই
একটা সাধারণ প্রশ্ন থেকে জন্ম নিয়েছিল এই প্ল্যাটফর্ম
২০২০ সালের গোড়ার দিকে একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ একটা প্রশ্ন নিয়ে বসেছিলেন — বাংলাদেশে কি এমন কোনো অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম আছে যেটা সত্যিই বাংলাদেশের মানুষের কথা ভেবে তৈরি? যেখানে বিকাশে ডিপোজিট করা যাবে, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যাবে, মোবাইলে সহজে খেলা যাবে — এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জয়ের টাকা সময়মতো পাওয়া যাবে? উত্তরটা ছিল না। সেই "না" থেকেই জন্ম হয়েছিল Betting Jackpot-এর।
শুরুটা ছিল ছোট। মাত্র কয়েকজন ডেভেলপার, একটা ছোট অফিস এবং একটা বড় স্বপ্ন। প্রথম তিন মাস প্রায়ই রাত তিনটা পর্যন্ত কাজ চলত — প্ল্যাটফর্ম পরীক্ষা করা, পেমেন্ট গেটওয়ে ঠিক করা, ব্যবহারকারীদের মতামত নেওয়া। প্রথম ১,০০০ সদস্য পেতে তিন মাস লেগেছিল। কিন্তু সেই ১,০০০ জনের প্রতিটি মতামত, প্রতিটি অভিযোগ এবং প্রতিটি ধন্যবাদ — এগুলোই পরবর্তী পদক্ষেপের পথ দেখিয়েছে।
Betting Jackpot-এর একটা বড় সিদ্ধান্ত ছিল — বাংলায় সম্পূর্ণ ইন্টারফেস। তখন বাজারে যেসব প্ল্যাটফর্ম ছিল, বেশিরভাগ ইংরেজিতে বা হিন্দিতে। একজন সিলেটের চা শ্রমিক বা ময়মনসিংহের কৃষকের ছেলে যদি খেলতে আসেন, তাঁকে যেন ভাষার বাধায় আটকাতে না হয়। এই চিন্তা থেকেই সম্পূর্ণ বাংলা ইন্টারফেস তৈরি হয়। সাপোর্ট টিমও বাংলায় কথা বলে — কারণ মানুষ সমস্যায় পড়লে নিজের ভাষায় বলতে পারলে সহজ হয়।
দ্বিতীয় বড় সিদ্ধান্ত ছিল পেমেন্ট। বাংলাদেশে ব্যাংক ট্রান্সফার অনেকের কাছে জটিল, কিন্তু বিকাশ বা নগদ সবার কাছে পরিচিত। Betting Jackpot-এ বিকাশ, নগদ এবং রকেট — তিনটি পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করা হলো। ডিপোজিট হয় ৩০ সেকেন্ডে, উইথড্র পৌঁছায় ১৫ মিনিটে। এই দ্রুততাটা প্রথম থেকেই ব্যবহারকারীদের আস্থা জিতে নিয়েছে।
২০২১ সালে Betting Jackpot-এ প্রথম মোবাইল অ্যাপ এলো। তখন দেশে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছিল, কিন্তু মোবাইলে ভালো গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়ার মতো প্ল্যাটফর্ম কম ছিল। Betting Jackpot-এর Android অ্যাপ বাজারে আসার পর প্রথম সপ্তাহেই ১০,০০০ ডাউনলোড হয়। এটা ছিল একটা স্পষ্ট সংকেত — বাজারে চাহিদা আছে, শুধু সঠিক পণ্যটা দরকার ছিল।
VIP প্রোগ্রাম চালু হয় ২০২২ সালে। এর পেছনের ধারণাটা সরল — যাঁরা নিয়মিত খেলেন, তাঁদের পুরস্কৃত করা উচিত। Bronze, Silver, Gold, Platinum — চারটি স্তরে VIP সুবিধা দেওয়া শুরু হলো। ক্যাশব্যাক থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পর্যন্ত — প্রতিটি স্তরে আসল পার্থক্য আছে। এই প্রোগ্রাম চালুর পর দীর্ঘমেয়াদি সদস্যদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
২০২৩ সাল ছিল Betting Jackpot-এর জন্য একটি মাইলফলকের বছর। এই বছর সদস্য সংখ্যা ২ লাখ পেরিয়ে যায় এবং মোট পেআউট ১০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। লাইভ বেটিং সেকশন সম্পূর্ণ নতুনভাবে তৈরি করা হয় — বল-বাই-বল ক্রিকেট স্ট্যাটিস্টিক্স, রিয়েল-টাইম অডস আপডেট এবং ক্যাশআউট অপশন যোগ হয়। ক্রিকেটপ্রেমী বাংলাদেশিদের কাছে এই ফিচারগুলো তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা পায়।
আজ ২০২৬ সালে Betting Jackpot-এর সদস্য সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। কুমিল্লা থেকে কক্সবাজার, ঢাকা থেকে সেন্ট মার্টিন — সারা বাংলাদেশে মানুষ Betting Jackpot-এ খেলছেন। প্রতিদিন ৩৮,০০০-এর বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী আছেন। তবে সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন এসেছে, তা সংখ্যায় নয় — মানুষের আস্থায়।
প্রতিটি ফিচার তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে
প্রতিটি বছরে একটি নতুন মাইলফলক — Betting Jackpot-এর বড় হওয়ার গল্প
যে নীতিগুলো Betting Jackpot-এর প্রতিটি সিদ্ধান্ত পরিচালনা করে
যাঁরা প্রতিদিন Betting Jackpot-কে সচল রাখেন
Betting Jackpot বিশ্বাস করে যে গেমিং একটি বিনোদনের মাধ্যম — আর্থিক সমস্যার সমাধান নয়। এই দর্শন থেকেই আমরা দায়িত্বশীল গেমিং টুলগুলো তৈরি করেছি।
প্রতিটি অ্যাকাউন্টে দৈনিক/সাপ্তাহিক বাজেট সীমা নির্ধারণের অপশন আছে। কেউ চাইলে নিজেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে বিরতি দিতে পারবেন। ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ যাতে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারেন, সে জন্য KYC যাচাই বাধ্যতামূলক।
Betting Jackpot-এর দায়িত্বশীল গেমিং পেজে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার লিংক দেওয়া আছে।
নতুন সদস্য
নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। বিকাশে প্রথম ডিপোজিট করুন এবং সর্বোচ্চ ৳৫,০০০ পর্যন্ত বোনাস নিন। এখনই শুরু হোক।
আমাদের সম্পর্কে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর